কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ এ ০৭:১১ PM

কলেজ বৃত্তান্ত

কন্টেন্ট: পাতা

কলেজ প্রতিষ্ঠা ও বর্তমান অবস্থা

চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলার একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। চুয়াডাঙ্গা শহরের অভ্যন্তরে সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে প্রায় ১৮ একর জমির উপর কলেজটি অবস্থিত। এই কলেজ বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এবং বাংলাদেশের অন্যতম একটি সরকারী কলেজ। আগস্ট ১, ১৯৬২ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গার প্রাণকেন্দ্রে ছায়া ঢাকা, পাখি ডাকা, শান্ত পরিবেশে চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ অবস্থিত। ১৯৬২ সালের ১ আগস্ট উদীয়মান মুষ্টিমেয় শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও উৎসাহী জনগণের সহায়তায় চুয়াডাঙ্গা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম অবস্থায় চুয়াডাঙ্গার ভি.জে. উচ্চ বিদ্যালয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের মানবিক ও বাণিজ্য শাখায় ২২ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৬৪ সালে কলা ও বাণিজ্য শাখায় স্নাতক কোর্স চালু করা হয়। বিজ্ঞান শাখায় ১৯৬৫ সালে উচ্চ মাধ্যমিক ও ১৯৬৮ সালে স্নাতক কোর্স চালু হয়। ১৯৭৯ সালের ৭মে কলেজটি জাতীয়করণ হয়। অত্র কলেজে ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে অনার্স ও ২০১৪ সালে মাস্টার্স কোর্স চালু হয়।

চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ প্রায় ১৮ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। কলেজের বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীর প্রায় সংখ্যা ১২,০০০ জন কলেজটিতে ৮টি ভবন এবং বিভিন্ন বিভাগের জন্য ভিন্ন ভিন্ন আধুনিক ৩ টি কম্পিউটার ল্যাব আছে। এছাড়াও প্রতিটি বিভাগের জন্য আলাদা আলাদা আধুনিক গ্রন্থাগার আছে। দৃষ্টিনন্দন একটি সুবিশাল খেলার মাঠ। ১টি চারতলা ছাত্র হোস্টেল (বন্ধ) ও একটি পাঁচতলা ছাত্রী হোস্টেল আছে। ছাত্রী নিবাসে প্রায় ১৩২ জন ছাত্রী অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে থাকে। কলেজ চত্বরে চুয়াডাঙ্গার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অবস্থিত।

পাঠগ্রহণের পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা বিএনসিসি, রোভার স্কাউট এবং রেড ক্রিসেন্ট এর মত সমাজসেবামূলক কাজের সাথে সম্পৃক্ত। তাছাড়া এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিয়মিতভাবে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রতি বছর হাজার হাজার শিক্ষার্থী উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করে নিজেদের সুনাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করছে। প্রতিদিন এ কলেজের সবুজ চত্বর হাজার হাজার শিক্ষার্থীর কলতানে মুখরিত হয়ে ওঠে।

বর্তমানে কলেজটিতে ১৩ টি বিষয়ে অনার্স (বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উদ্ভিদবিদ্যা, গণিত) কোর্স চালু আছে। এছাড়া ৯ টি বিষয়ে (বাংলা, ইংরেজি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা) মাস্টার্স কোর্স চালু আছে। উচ্চ মাধ্যমিকে প্রতি বছর বিজ্ঞান শাখায় ৩০০ জন, মানবিক শাখায় ৪০০ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন